৭ই মার্চের ভাষণ রচনা ২০২৪

৭ই মার্চের ভাষণ রচনা

৭ই মার্চ, ১৯৭১ সালে, ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, যা আমাদের মুক্তি ও স্বাধীনতা প্রাপ্তির জন্য একটি অমূল্য ক্ষণ বোঝায়। এই ভাষণে তিনি পাকিস্তানের বিশেষ ভাষাসম্প্রদায়ের বাঙালি জনগণের অধিকার এবং সামাজিক ন্যায়ের প্রতি তাদের আগ্রহ জানান। শেখ মুজিবুর রহমান এই ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের লড়াইতে জনগণকে উৎসাহিত করেছিলেন, তাদের আত্মনির্ভরশীল হতে উৎসাহিত করেছিলেন। এটি একটি সময়সীমান্ত ভাষণ ছিল, তবে এর শক্তি এবং আগ্রহ আজও আমাদের জীবনে মোকাবিলা দেয়। নিচে ৭ই মার্চের ভাষণ রচনা  দেওয়া আছে।

৭ই মার্চের ভাষণ রচনা

৭ই মার্চ ভাষণ হলো একটি ইতিহাস গড়ে তোলা ক্ষণ, একটি জাগরুকতার আওতায় বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের দিকে একটি পূর্ণসংক্ষেপ। অনেকে ৭ই মার্চের ভাষণ রচনা পড়ার জন্য অনুসন্ধান করে। এখানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ সম্পর্কে সম্পূর্ণ রচনা দেওয়া আছে।

ভূমিকাঃ 

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ, ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যা স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণকে একটি নতুন দশায় নেয়ার জন্য একটি উদ্যোগ করে।ভাষণে তিনি বাঙালি জনগণকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য উৎসাহিত করেছেন এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল হতে উৎসাহিত করেছেন। তিনি আমাদের প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জীবনের শেষ সময়ে এই দাবিতে সফল হন। আজ এই ভাষণ বিখ্যাত খ্যাতি অর্জন করেছে।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চঃ 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের রেসকোর্স ময়দানের ভাষণ দেন। তখন দিন টি ছিলো ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ। তাই প্রতি বছর মার্চ মাসে ভাষণ দিবস পালন করা হয়। এই ভাষণ টি বাঙালি জাতির এক প্রকারের দলিল। ভাষণ থেকে শেখার অনেক কিছু রয়েছে।ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জনগণের মানবাধিকার, ন্যায় এবং সামাজিক ন্যায়ের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তার ভাষণে একটি প্রত্নতাত্ত্বিক আদর্শ প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ দুনিয়ায় শ্রেষ্ঠ মন্ত্রিত্ব বলা হয়েছে।

এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেকে একজন দীর্ঘকালিন স্বাধীনতা লড়াইয়ের নেতা হিসেবে দেখানোর মাধ্যমে জনগণের মাঝে একটি গভীর সম্পর্ক স্থাপন করেছেন।৭ই মার্চ ভাষণ হলো একটি ইতিহাস গড়ে তোলা ক্ষণ, একটি জাগরুকতার আওতায় বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের দিকে একটি পূর্ণসংক্ষেপ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ভাষণের মাধ্যমে স্বতন্ত্র বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার সমর্থন ও মানবাধিকার প্রতি আবদ্ধতা প্রদর্শন করেছেন।

৭ই মার্চের গুরুত্ব 

৭ই মার্চ, ১৯৭১ সালের ভাষণ দিনটি বাংলাদেশের জনগণের মাঝে একটি অমূল্য স্মৃতি হিসেবে স্থান করে থাকে। এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের প্রতি জনগণের অসন্মান এবং অধিকার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ হয়। তার ঐতিহাসিক ভাষণে জনগণকে সংগ্রামের জন্য তৈরি থাকতে উৎসাহিত করা হয়। এই ভাষণ ছিল স্বাধীনতা প্রাপ্তির এক নতুন দিকের শুরু, একটি অদ্ভুত আদান-প্রদান যা স্বাধীন বাংলাদেশের পথে একটি অবিস্মরণীয় দক্ষিণা ছেড়ে গেল। এই দিনটি বাংলাদেশের মানুষকে একত্রিত করে স্বাধীনতা প্রাপ্তির জন্য পৌরাণিক অস্মিতা এবং মর্যাদা প্রদান করে, যা আজও মানবাধিকার এবং মৌলিক স্বাধীনতা প্রতি বাংলাদেশী জনগণের হৃদয়ে রয়েছে। ৭ই মার্চ বাংলাদেশের জনগণের জীবনে একটি অমূল্য ঘড়োয়, একটি নতুন সময়ের প্রারম্ভ, একটি স্বাধীন জাতীয় দিনের মহৎ শোকসারণি এবং সমর্থনের জন্য একটি মৌন সাক্ষর।

৭ই মার্চের ভাষণের তাৎপর্য

৭ই মার্চ, ১৯৭১ সালে, ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা প্রাপ্তির দিকে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করেন। এই ভাষণে তিনি বাঙালি জনগণকে একটি সংগ্রামের জন্য তৈরি থাকার আহ্বান জানান, পাকিস্তানের শাসনের বিরুদ্ধে উঠুন।

ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, “আমি আপনাদের কাছে আমার জীবন ও মালিকানা শোক ও কষ্টের দিনে কখনও একটি স্বতন্ত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এসে দাঁড়িয়েছি।” তিনি জাতীয় স্বাধীনতা চরম প্রাপ্তির দিন হিসেবে বেশ প্রসিদ্ধিতে উঠে এবং এই ভাষণের মাধ্যমে তার অগুণতা ও অপ্রতিরোধ্য মূল্যায়ন করা হয়।

৭ই মার্চের ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান স্বতন্ত্র বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্থান করে নিয়েছিলেন এবং এই ভাষণের মাধ্যমে তিনি জনগণের আবেগ ও উত্সাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে একজন শান্তিপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন। ৭ই মার্চ বাংলাদেশের জনগণের জীবনে একটি অমূল্য দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে, যা স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের দিকে অগ্রগতির একটি অজুহাত চিহ্নিত করে।

উপসংহারঃ 

৭ই মার্চ, ১৯৭১ সালে, ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা প্রাপ্তির দিকে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করেন। ভাষণে তিনি জাতীয় স্বাধীনতা প্রাপ্তির প্রতি জনগণের আগ্রহ এবং মেধা জাগান। ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের শাসনের বিরুদ্ধে জনগণকে উঠুন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতি তাদের সমর্থন জানান। তিনি জনগণকে সংগ্রামে যোগ দিতে, অধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা জনাতে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের দিকে একটি নতুন দিকের শুরু করতে উৎসাহিত করতে তার ভাষণ ছিল একটি অবিস্মরণীয় উদাহরণ।

শেষ কথা

৭ই মার্চের ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এই ভাষণের মাধ্যমে তিনি জনগণের আবেগ এবং উৎসাহ বাড়ান। ৭ই মার্চ বাংলাদেশের জনগণের জীবনে একটি অমূল্য দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে, যা স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকারের দিকে অগ্রগতির একটি অবস্থান প্রদান করে। আশা করছি ৭ই মার্চের ভাষণ রচনা সংগ্রহ করেছেন।

আরও দেখুনঃ

৭ই মার্চের ভাষণ অনুচ্ছেদ সকল শ্রেণির জন্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *